২০২৫ সালে যারা কুয়েত কাজের ভিসা বা অন্যান্য যে কোন ভিসা নিয়ে যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের মূল কনটেন্ট। শুধুমাত্র কাজের ভিসা নিয়ে যারা যাবেন তাদের ক্ষেত্রে আমরা পর্যায়ক্রমে এখানে কয়েকটি ক্যাটাগরি উল্লেখ করেছি যেখান থেকে আপনারা খুব সহজেই সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন এবং বর্তমান ভিসা চালু আছে কিনা সেই সম্পর্কেও ধারণা পাবেন।
২০২৫ সালে কুয়েতে যাওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ আসছে এই ক্ষেত্রে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী নিবে কুয়েত সরকার এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সহ এশিয়ার মধ্যে আরও বেশ কয়েকটি দেশ থেকে এই কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে কিভাবে আপনারা আবেদন করবেন এবং জাবেদ কিভাবে এ নিয়ে পর্যায়ক্রমে তা তুলে ধরা হলো।
কুয়েত ভিসা কি খোলা আছে ২০২৫
বর্তমান ২০২৫ সালে কুয়েতের যাবতীয় ভিসা সার্ভিস খোলা আছে। এবং কুয়েসদের যাবতীয় ভিসা কার্যক্রম বাংলাদেশের মাধ্যমে করা হচ্ছে চাইলে বাংলাদেশ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে অফিস আবেদন করতে পারবেন অথবা নেপাল অথবা দিল্লির মাধ্যমেও করার সুযোগ থাকছে। তবে খরচ আগের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তাই কিভাবে যাবেন এবং কত টাকা খরচ হচ্ছে এবং আগের তুলনায় বর্তমানে কোন মাধ্যমগুলোতে গেলে অনেকটা সহজ হচ্ছে তা সকল প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে পর্যায়ক্রমে আমরা এখানে আলোচনা করেছি। এজেন্সি গুলো ভালো হবে এবং কোন গুলোর মাধ্যমে যাওয়া উচিত তা নিয়ে বিস্তারিত দেখুন।
কুয়েত ভিসা নিউজ ২০২৫
২০২৫ সালে যারা কুয়েত ভিসা নিয়ে যেতে চাচ্ছেন তারা চাইলে এখন বাংলাদেশ এবং দিল্লি থেকে অথবা নেপাল থেকে আপনারা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে খরচ আগের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০২৫ সালে এখন কুয়েতের কাজের ভিসা বা অন্যান্য যেকোনো ধরনের ভিসা নিয়ে যেতে হলে খরচ আগের তুলনায় বেশি দিতে হবে।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশে অনেক এজেন্সি রয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন অথবা আরও অন্যান্য যে সমস্ত দেশের বাহিরে এজেন্সি রয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলেও সব জায়গাতেই কিন্তু দেখবেন যে খরচ আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তাহলে কিভাবে যাবেন এবং কম খরচে যাওয়ার উপায় কি সেটা নিয়েও জানুন বিস্তারিত।
কুয়েত ভিসা আবেদন
কুয়েত ভ্রমণের জন্য আপনাকে ভিসার প্রয়োজন হবে। ভিসার জন্য আবেদন করার আগে, আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিতগুলি করতে হবে। নির্ধারণ করুন যে আপনার কোন ধরণের ভিসা প্রয়োজন। কুয়েত বিভিন্ন ধরণের ভিসা অফার করে, যার মধ্যে রয়েছে।
পর্যটন ভিসা: এই ভিসাটি বন্ধু বা পরিবারের সাথে দেখা করতে বা কুয়েত ঘুরে দেখার জন্য।
ব্যবসায়িক ভিসা: এই ভিসাটি কুয়েতে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভ্রমণের জন্য।
কর্ম ভিসা: এই ভিসাটি কুয়েতে কাজ করার জন্য।
ছাত্র ভিসা: এই ভিসাটি কুয়েতে পড়াশোনার জন্য।
প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করুন। আপনার ভিসার আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিগুলি আপনার আবেদন করা ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করবে। যাইহোক, সাধারণত প্রয়োজনীয় নথিগুলির মধ্যে রয়েছে:
- একটি বৈধ পাসপোর্ট
- একটি ভিসা আবেদন ফর্ম
- একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট-আকারের ফটো
- আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য প্রমাণ (যেমন, একটি হোটেল বুকিং বা একটি ব্যবসায়ের আমন্ত্রণপত্র)
- আপনার আর্থিক সহায়তার প্রমাণ (একটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
একটি কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে আবেদন করুন। আপনি আপনার নিজ দেশে বা আপনি যে দেশ থেকে ভ্রমণ করছেন সেখানে একটি কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে আবেদন করতে পারেন।
ভিসা ফি প্রদান করুন। ভিসা ফি ভিসার ধরন এবং আপনি যে দেশ থেকে আবেদন করছেন তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। কুয়েত ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে কুয়েতিদের ওয়েবসাইট দেখুন দূতাবাস বা কনস্যুলেট।
কুয়েত ভিসার জন্য আবেদন করার টিপস :
- আপনার আবেদন সম্পূর্ণ করার সময় নিশ্চিত করুন যে সমস্ত তথ্য সঠিক এবং সম্পূর্ণ।
- আপনার আবেদনের সাথে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি অন্তর্ভুক্ত করুন।
- আপনার আবেদন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জমা দিন, বিশেষ করে যদি আপনি ব্যস্ত ভ্রমণের মরসুমে ভ্রমণ করার পরিকল্পনা করছেন।
- আপনার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে তাই ধৈর্য ধরুন।
কুয়েত ভিসা আবেদন করার জন্য বাংলাদেশের সরকার নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি সরকারিভাবে কুয়েতের ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে বিএমইটি অথবা বুয়েসেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে কুয়েত ভিসা আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি কি ধরনের ভিসা নিবেন এবং ভিসা রিকোয়ারমেন্ট গুলো কি তা আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন।
নিচে আমরা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরব কুয়েতের ভিসা কিভাবে পাবেন এবং ভিসা পাওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র থাকা প্রয়োজন এবং কাজের ভিসার জন্য কি কি রিকোয়ারমেন্ট গুলো দেওয়া থাকে এই সংক্রান্ত তথ্য গুলো আমাদের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক কুয়েত ভিসা প্রসেসিং করার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন।
কুয়েত ভিসা দাম কত ২০২৫
কুয়েত ভিসার খরচ
- পর্যটন ভিসা ৮ লক্ষ টাকা
- ব্যবসায়িক ভিসা ১২ লক্ষ টাকা
- কর্ম ভিসা ১২ লক্ষ টাকা
- ছাত্র ভিসা ১০ লক্ষ টাকা
অতিরিক্ত ফি:
- ভিসা প্রসেসিং ফি
- মেডিকেল পরীক্ষার ফি
- বিমানবন্দর নিরাপত্তা ফি
- কুয়েত ভিসার জন্য আবেদন করার সময়, আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিতগুলির জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে:
ভিসা ফি: এটি ভিসার ধরন এবং আবেদনকারীর জাতীয়তার উপর নির্ভর করে।
প্রসেসিং ফি: এটি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের খরচ।
অন্যান্য ফি: এতে মেডিকেল পরীক্ষার ফি এবং বিমানবন্দর নিরাপত্তা ফি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কুয়েত ভিসার জন্য আবেদন করার আগে, আপনার নির্দিষ্ট খরচ সম্পর্কে জানতে আপনার নিকটতম কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
বাংলাদেশ থেকে আপনি যদি কুয়েতে যেতে চান তাহলে আপনি যে সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে ভালোমতো জেনে নিবেন আপনি ওই ভিসাতে কি কি সার্ভিস পাবেন এবং আপনাকে এক্সট্রা ভাবে আলাদা কি কি খরচ বহন করা লাগবে। অথবা আপনাকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দিলে কত ঘন্টা ডিউটি এবং কত টাকা বেতন এই সংক্রান্ত তথ্য গুলো আপনার এজেন্সির মাধ্যমে।
কুয়েত ভিসা পেতে কতদিন লাগে ২০২৫
২০২৫ এ বাংলাদেশ থেকে কুয়েত ভিসা আবেদন করলে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। এক্ষেত্রে যদি আপনি দেশের বাহিরে থেকে করেন তাহলে সেখানেও সর্বোচ্চ ১২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, দিল্লি, মালয়েশিয়া, দুবাই ও অন্যান্য দেশ থেকে কুয়েত ভিসা আবেদন করা যায়।
এক্ষেত্রে যারা বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে যেতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই এই সময়টা লাগবেই। তবে আপনি যদি বিগত বছরগুলোতে কুয়েতে কাজ করে থাকেন তাহলে যদি সেই কোম্পানির সাথে আলাদাভাবে আপনি যদি চুক্তিবদ্ধ হন তাহলে কিন্তু আগে থেকেই ভিসা পেয়ে যেতে পারেন। তাছাড়া যদি আপনি এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে যেতে চান তাহলে অবশ্যই সর্বোচ্চ আপনাকে ১২০ দিন পর্যন্ত সময় দেওয়াই লাগবে। যদি ভাগ্য ভালো থাকে তাহলে 90 দিনের আগেও পেয়ে যেতে পারেন।
কুয়েতে ড্রাইভিং চাকরি ২০২৫
কুয়েত ড্রাইভিং ভিসা খরচ
কুয়েত কোম্পানি ভিসা ২০২৫
কুয়েতের সকল ধরনের কোম্পানি ভিসা চালু আছে তবে এক্ষেত্রে আপনি কি ধরনের কোম্পানি বা কোন কোম্পানিতে কাজ করছেন সেটা মূলত নির্ভর করে আপনি কোন এজেন্সির মাধ্যমে যাচ্ছেন তার উপর এক্ষেত্রে একাক এজেন্সি কিন্তু এক এক ধরনের কোম্পানিতে তারা লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের যে সমস্ত এজেন্সি আছে তারা কুয়েতের বিভিন্ন কোম্পানিতে তারা লোক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে।
তাই যেখন যে কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের এজেন্সিদের সাথে চুক্তি করে সেই অনুযায়ী মূলত কর্মীদের পাঠানো হয় বর্তমানে কুয়েতের অনেক ধরনের কোম্পানি এখন পর্যন্ত চালু আছে তবে কোম্পানি বিষয়ে কাজ করতে কি কি দক্ষ এবং যোগ্যতা প্রয়োজন তার নিচে তুলে ধরা হলো।
- কুয়েত কোম্পানির ভিসা পেতে,
- একটি বৈধ পাসপোর্ট
- একটি পাসপোর্ট-আকারের ছবি
- একটি কাজের চুক্তি
- একটি মেডিকেল পরীক্ষার প্রতিবেদন
- একটি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র
- একটি অপরাধমূলক ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
কুয়েত কোম্পানির ভিসার প্রক্রিয়াকরণের সময় সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় নেয়। ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনাকে কুয়েতে প্রবেশের জন্য এটি আপনার পাসপোর্টে স্ট্যাম্প করতে হবে। কুয়েত কোম্পানির ভিসার মেয়াদ সাধারণত এক বছর হয়। ভিসাটি এক বছরের জন্য নবায়ন করা যেতে পারে। কুয়েত কোম্পানির ভিসার জন্য আবেদন করার সময়, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখতে হবে:
- আপনাকে অবশ্যই একটি কুয়েতি কোম্পানির কাছ থেকে স্পনসরশিপ অর্জন করতে হবে।
- আপনাকে অবশ্যই সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ করতে হবে।
- ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় কয়েক সপ্তাহ সময় নিতে পারে।
- ভিসাটি এক বছরের জন্য নবায়ন করা যেতে পারে।
- আপনি যদি কুয়েত কোম্পানির ভিসার জন্য আবেদন করতে আগ্রহী হন, তাহলে আরও তথ্যের জন্য কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করুন।
কুয়েতের বেতন কত ২০২৫
২০২৫ সালে কুয়েতে কাজের বেতন ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও যদি কোন অভিজ্ঞ ব্যক্তি হয়ে থাকে তাহলে ইলেকট্রিশিয়ান বা অন্য কোন কাজের বেতন কিন্তু এর থেকে আরো বেশি। অথবা বর্তমানে যারা ক্লিনার ভিসা নিয়ে কাজ করছে তাদের বেতন কিন্তু প্রায়ই ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
মূলত কাজের লেভেল অনুযায়ী এখানে বেতন নির্ধারিত হয় এ ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরি কর্মীদের বেতন এবং যারা ফ্রি ভিসা বা ফ্রি অন্যান্য জায়গায় কাজ করে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু বেতনের ভিন্নতা রয়েছে তাই আপনি যখন নির্ধারিত কোন কোম্পানির অধীনে কাজ করবেন তখন একরকম ভাবে বেতন প্রদান করা হয়ে থাকে।
কুয়েত কোম্পানির ভিসা সম্পর্কে তথ্য
কুয়েত কোম্পানির ভিসা একক বা একাধিক প্রবেশের জন্য হতে পারে। কুয়েত কোম্পানির ভিসাধারীরা কুয়েতে তাদের পরিবারদের স্পনসর করতে পারে। কুয়েত কোম্পানির ভিসাধারীরা কুয়েতে গাড়ি চালানোর জন্য লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারে। আপনি যদি কুয়েতে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাহলে একটি কুয়েতি কোম্পানির ভিসা একটি বিকল্প। ভিসা পেতে প্রয়োজনীয়তা এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য উপরে দেওয়া নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করুন।
কুয়েত ভিসা বন্ধ না খোলা ২০২৫
কুয়েতের সকল ধরনের ভিসা এখন পর্যন্ত চালু আছে। তবে, ২০২৫ সালে কুয়েতের কিছু ভিসা নীতির পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে যারা কুয়েতে কাজের ভিসা নিয়ে যাবে তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই কাজের উপর অভিজ্ঞতার প্রমাণ দেখাতে হবে এবং পূর্বে কোথাও কাজ করেছে কিনা তার একটি প্রমাণ থাকতে হবে।
সেই সাথে বাংলাদেশের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশ কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। বেশকিছু ক্যাটাগরিতে কুয়েতে কাজের ভিসা নিতে হলে কিন্তু আগে আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে এবং প্রশিক্ষণে যদি আপনি ভালোমতো দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলেই মূলত ভিসা মিলবে তাছাড়া ভিসা পাওয়া যাবে না।
কুয়েতের নতুন ভিসা ট্যাট করি:
- কর্ম ভিসা (বিদ্যমান স্পনসরদের জন্য)
- ডিপেন্ডেন্ট ভিসা (বিদ্যমান কর্মীদের জন্য)
- ছাত্র ভিসা
- চিকিৎসা ভিসা
- গৃহকর্মীর ভিসা (বাংলাদেশ, ভারত, ফিলিপাইন, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার জন্য)
কুয়েত সরকার এখনও পর্যটন এবং ভিজিট ভিসা কখন খোলা হবে তা ঘোষণা করেনি। তবে, কর্ম ভিসার জন্য আবেদনকারীদের জন্য কিছু নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কর্ম ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:
- একটি বৈধ স্পনসর থাকতে হবে।
- একটি বৈধ কাজের চুক্তি থাকতে হবে।
- একটি মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
- তাদের একটি নির্দিষ্ট আয়ের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে।
- কুয়েত ভিসা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইট দেখুন।
কুয়েত ভিসা প্রসেসিং ২০২৫
বর্তমানে কুয়েত ভিসা নিতে হলেও সময় লাগবে প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত। এক্ষেত্রে কোন কোন এজেন্সি কিন্তু এর থেকেও বেশি সময় নিয়ে থাকে তাই আপনি আপনার এজেন্স এর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আগে থেকে আলাপ করতে পারেন অথবা কাজের ভিসা নিতে হলেও কিন্তু আপনাকে সর্বোচ্চ তিন পর্যন্ত সময় দেওয়াই লাগবে ভিসা প্রসেসিং হওয়ার জন্য।
ভিসার ধরণ নির্বাচন:
- পর্যটন ভিসা: বন্ধু বা পরিবারের সাথে দেখা করতে বা কুয়েত ঘুরে দেখার জন্য।
- ব্যবসায়িক ভিসা: কুয়েতে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভ্রমণের জন্য।
- কর্ম ভিসা: কুয়েতে কাজ করার জন্য।
- ছাত্র ভিসা: কুয়েতে পড়াশোনার জন্য।
প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ:
- বৈধ পাসপোর্ট
- ভিসা আবেদন ফর্ম
- সাম্প্রতিক পাসপোর্ট-আকারের ফটো
- ভ্রমণের উদ্দেশ্য প্রমাণ (হোটেল বুকিং, ব্যবসায়িক আমন্ত্রণপত্র)
- আর্থিক সহায়তার প্রমাণ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
ভিসার জন্য আবেদন:
- কুয়েতি দূতাবাস বা কনস্যুলেটে
- অনলাইনে (কিছু ক্ষেত্রে)
ভিসা ফি প্রদান:
ভিসার ধরণ ও আবেদনের দেশ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
ভিসা প্রসেসিং সময়:
সর্বোচ্চ ৯০ দিন
কুয়েতে যে কোন ভিসা প্রসেসিং করার জন্য মিনিমাম তিন মাসের মত সময় লাগবে এক্ষেত্রে যদি আপনি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সরকারি কোন এজেন্সির মাধ্যমে নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই তিন মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া লাগবে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ছয় মাস মেয়াদে একটি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকলেই আপনি কুয়েতের যে কোন ধরনের ভিসা প্রসেস করতে পারবেন।
তবে আগেই বলে রাখা উচিত যে আগের তুলনায় কিন্তু বর্তমানে কুয়েতের ভিসা এবং কুয়েতে যাওয়ার জন্য খরচ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সহ অন্যান্য দেশের এয়ার লাইন্সের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই মূলত ভিসা সার্ভিস আগের তুলনায় একটু কঠিন হয়েছে। আপনারা যদি বর্তমানে কুয়েতের ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে আমাদের দেওয়া নিচের লিঙ্ক থেকে জেনে নিতে পারবেন।
বোয়েসেলের মাধ্যমে কোরিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
কুয়েত ভিসা করতে যা যা প্রয়োজন
- ৬ মাস মেয়াদের ভ্যালিড পাসপোর্ট
- নির্দিষ্ট একটি কাজের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সনদ
- ড্রাইভিং কাজ হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স
- চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
- চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত সনদ
- কুয়েত দূতাবাস হতে সত্যায়িত কাগজপত্র
- কোম্পানিতে হলে প্রয়োজনীয় এডুকেশনাল সার্টিফিকেট
- স্টুডেন্ট হলে বিশ্ববিদ্যালয় করতে ইনভাইটেশন লেটার
তবে এই সমস্ত কাগজপত্র যদি কোন ধরনের ভুল থাকে তাহলে তার আগেই ঠিক করে নিতে হবে না হলে কুয়েতের যাবতীয় ভিসা এপ্রুভাল পাবেন না। যেমন এনআইডি কার্ডের ডেট অফ বার্থ এবং নামের কোন ভুল থাকলে তা অবশ্যই সংশোধন করে নিতে হবে। ভিসা প্রবাল করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো সঙ্গে নিয়ে আবেদন করতে হবে এবং ফাইলগুলো এটাস্ট করতে হবে।
বোয়েসেল রোমানিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
কুয়েতে প্রবেশ করতে হলে কুয়েত সরকার অনুমোদিত ভ্যাকসিন গুলো গ্রহন করতে হবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ২,৩ ডোজ গ্রহণ করলে চলবে এবং সামনে গ্রহণ করতে হতে পারে। কুয়েত সরকার অনুমোদিত ভ্যাকসিন হচ্ছে, অক্সফোর্ড, ফাইজার, জনসন এন্ড জনসন, মর্দানা এই ভ্যাকসিন গুলো দুটি গ্রহণ করলেই আপনারা প্রবেশ করতে পারবেন।
কুয়েত ভিসা পাওয়ার পর যা করণীয়
আমরা অনেকেই জানিনা কুয়েত ভিসা পাওয়ার পর আমাদের কি করনীয় আজ আপনাদের সেসকল করণীয় নিয়ে বিস্তারিত বলবো। কুয়েত এয়ারপোর্ট এ আসতে হবে এবং পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে। আপনার ফোনে আপনি ইমুনি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন করে নেবেন।
কুয়েত মোবাইল আইডি এবং অ্যাপ্লিকেশন এবং স্লোনেক অ্যাপ্লিকেশন এবং টিকিট করার পরে আপনাকে কুয়েত মুসাফির ওয়েবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
আসার সময় অবশ্যই কিছুদিন দিনার আনতে হবে, নতুন পরিবেশে আসার জন্যে এবং পরিবেশের সাথে মিল রাখার জন্য কিছুদিন থাকতে হবে এবং যে খরচগুলো হবে তার জন্য কিছুদিন দিনার আনার কথা বললাম। একটি সিম ক্রয় করতে হতে পারে।
অবশ্যই আপনাকে হোম কোয়ারেন্টাইন এ পাঠানো হবে, হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে বের হওয়ার পর আপনি স্বাধীন জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে কুয়েত ভিসা কতো ধরনের ?
বাংলাদেশ থেকে কুয়েত ভিসা কয়েক রকম ক্যাটাগরিতে পাওয়া যায়। যেমন : কম্পানি ভিসা, খাদেম ভিসা, কোম্পানির মধ্যে পাবেন আপনারা ক্লিন ভিসা এবং ড্রাইভিং ভিসা। যদি আপনি ক্লিন ভিসায় আসতে চান তাহলে আপনাকে বেতন দেবে 75 দিনার এটি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় 19 হাজার 500 হবে। হসপিটাল ক্লিনার, রোড ক্লিনার, স্কুল ক্লিনার, মসজিদ ক্লিনার, পুলিশ স্টেশন, অফিস-আদালত ইত্যাদি। যারা ক্লিন কাজের জন্য আসবেন তারা যেখানেই হোক না কেন ক্লিন কাজ পাবেন।
কাজের কন্টাক কতো দিনের এবং আকামা ফি ?
এটা আপনাদের জানা জরুরি, কাজের কন্টাক থাকবে তিন বছর। তিন বছর পর পর আকামা হিসেবে কোন কোন কোম্পানি টাকা নেই অথবা কোন কোন কোম্পানি টাকা নেয় না। আকামা নবায়ন ফি ১২০ দিনার থেকে ১৭০ দিনার এর মত।
তবে বর্তমানে এখনো এ বিষয়ে আপডেট তথ্য পাওয়া যায়নি এটা আগের তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে যারা কাজে কন্টাক্ট এ কাজ করছেন তাদের মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন বর্তমানে আকামা ফি কত যাচ্ছে এবং কি কি বিষয় নতুন আপডেট করা হয়েছে এ বিষয়গুলো ভালো মতো জেনে নিবেন।
রোমানিয়াতে সরকারিভাবে যাওয়ার উপায়
কুয়েত ভিসা নিয়ে সতর্কতা
তবে কুয়েতের যেকোনো ধরনের ভিসা তৈরি করার সময় অবশ্যই সেই ভিসা অনলাইনের মাধ্যমে দেখে তারপরেই ভিসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিবেন এক্ষেত্রে বর্তমানে কুয়েতের ভিসা নিয়ে অনেক ধরনের জালিয়াতি কার্যক্রম সমাজে প্রচলিত আছে। তাই আপনি ভিসা হাতে পাওয়ার পরে কুয়েতের ভিসা অনলাইনের মাধ্যমে চেক করে নিতে পারবেন।
এক্ষেত্রে আপনি কুয়েতের ভিসা যদি অনলাইনে চেক করেন তাহলে আপনি বর্তমানে কোন কোম্পানিতে কাজ পেয়েছেন এবং বেতন কত এবং কত দিন পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ এই সংক্রান্ত তথ্য গুলো আপনি অনলাইনের মাধ্যমে দেখে নিতে পারবেন।
কুয়েত ডানা কোম্পানি কেমন, যদি একটু বলতেন।
উত্তরমুছুনএকটি মন্তব্য পোস্ট করুন