আপনারা জেনে খুশি হবেন যে বর্তমানে মাল্টা ভিসা কার্যক্রম এখন থেকে ঢাকায় করা যাচ্ছে। গ্লোবাল ভিসা সার্ভিস সেন্টার থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা এখন থেকেই করতে পারবেন। মাল্টা ভিসা এবং ভ্রমণ বিচার সহ সকল ধরনের ভিসা করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কিভাবে করবেন এবং কত টাকা খরচ হচ্ছে তা সকল বিষয়গুলো নিচে আমরা পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছি।
কোথায় ভিসা অফিস এবং আগের তুলনায় খরচ কত টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মাল্টা কাজের বেতন কত তা সকল বিষয়গুলো এখানে আস্তে আস্তে জানতে পারবেন তাহলে পর্যায়ক্রমে দেখে নেওয়া যাক মাল্টা কাজের বিচার দাম কত এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য।
মাল্টা কাজের ভিসার দাম কত ২০২৫
বর্তমানে মাল্টা কাজের ভিসার দাম ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা। আগার তুলনায় কিছুটা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে বাংলাদেশের ঢাকা থেকে মাল্টা কাজের ভিসা নেওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি যদি আপনি সরকার নিবন্ধিত এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে যান তাহলে এমন দাম পড়বে। যদি সরকারি খরচে মাল্টা যান সে ক্ষেত্রে ৩ লাখ টাকার মধ্যেই হয়ে যায়।অথবা দেশের বাহির থেকে যদি যান তাহলে তিন লক্ষ টাকার মধ্যেও কিন্তু যাওয়া সম্ভব এক্ষেত্রে দুবাই, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, বাহারাইন, কাতার বা আরো অন্যান্য দেশের মাধ্যমেও যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশী কর্মীদের ক্ষেত্রে। বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে যাওয়ার প্রবণতায় বেশি দেখা যাচ্ছে কিন্তু ২০২৫ সালে কিন্তু সরকারিভাবে মাল্টাই কাজের ভিসাতে লোক পাঠাচ্ছে।
মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা 2025
2025 সালের সম্পূর্ণভাবে মাল্টা কাজের ভিসা চালু আছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঢাকা থেকে এখন মাল্টা কাজের ভিসা করা যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে মাল্টা কাজের বিচার সকল প্রসেস গুলো দিল্লি থেকে করা লাগতো কিন্তু এখন ২০২৫ সালের সরাসরি বাংলাদেশের ঢাকা গ্লোবাল ভিসা সার্ভিস সেন্টার থেকেই করতে পারবেন। এক্ষেত্রে খরচ কিছুটা আগের মতই আছে তবে গিয়েছে অবস্থান করা লাগতো সেই খরচটা কিন্তু এখন আর লাগবেনা।
তাই এখন থেকে খুব সহজেই মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করতে পারবেন। অথবা আগে থেকে যদি আপনি বিএমআইটি অথবা বুয়েসেলের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে রাখেন তাহলে কিন্তু যাওয়া অনেকটাই সহজ হবে এবং সরকার নিবন্ধিত কর্মী হিসেবে আপনি মাল্টা কাজের ভিসা নিয়ে বা ওয়ারমিট ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন।
মাল্টা যেতে কত টাকা লাগে ২০২৫
মাল্টাতে কি উদ্দেশ্যে আপনি যাচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করেই খরচ নির্ধারণ হয়। কাজের ভিসা নিয়ে মাল্টা যাওয়ার ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৩ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ভ্রমণ ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে। যদি সেখানে সরকারীভাবে স্কলারশিপ পেয়ে যান তাহলে খরচ কিন্তু আরো কম হবে।
অনেক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফ্রিতেই কিন্তু স্কলারশিপ দিয়ে থাকে ক্ষেত্রে যাতায়াত খরচ এবং অনেক কিছুই বহন করে। আপনি যখন কাজের উদ্দেশ্যে যাবেন আপনার কোম্পানি যদি সমস্ত খরচ বহন করে থাকে তখন আপনি ফ্রিতে যেতে পারবেন বর্তমানে অনেক কোম্পানি যাতায়াত খরচ এবং অন্যান্য সকল খরচ বহন করে থাকে।
মাল্টা কাজের বেতন কত ২০২৫
২০২৫ সালে মাল্টা কাজের বেতন মূলত নির্ভর করে অভিজ্ঞতার উপর। মাল্টাতে কর্মী হিসেবে কাজ করলে মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ থাকলে অথবা আরও উন্নত মানের কাজ করতে পারলে বেতন বেশি পাওয়া সম্ভব।
বর্তমানে সেখানে ড্রাইভিং পেশা অথবা ফ্যাক্টরি ওয়ার্কারে কাজ করলে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যায়। এছাড়া যারা রেস্টুরেন্ট কর্মী অথবা ডেলিভারি হিসেবে কাজ করে তারা মাসিক ভাবে প্রায়ই ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে।
এছাড়া আরো নানা ধরনের কাজ রয়েছে সেখানে কনস্ট্রাকশন করবে হিসেবে কাজ করলে প্রায়ই ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মাসে ইনকাম করার সুযোগ থাকে। তবে যদি আপনি নির্ধারিত কোন কোম্পানির হয়ে কাজ করেন অথবা ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন তারপরও কিন্তু সেখানে মাসে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব।
মাল্টা এম্বাসি বাংলাদেশ কোথায়
বর্তমানে গ্লোবাল ভিসা সার্ভিস এর মাধ্যমে মাল্টা এবং অন্যান্য ইউরোপীয় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর সমস্ত ভিসা কার্যক্রম বাংলাদেশের ঢাকা গ্লোবাল ভিসা সার্ভিস অফিসের মাধ্যমে করা যাচ্ছে।
আগে দিল্লির মাধ্যমে মাল্টা ভিসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো কিন্তু এখন ঢাকা থেকে করতে পারবেন এক্ষেত্রে দিল্লিতে যাওয়া লাগবে না এছাড়া যদি আপনি দেশের বাইরে থেকে করতে চান তাহলে সে দেশে মাল্টা দূতাবাসে গিয়ে আপনাকে ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং আবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার উপায়
আপনারা যারা মাল্টায় যেতে চান তারা অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন আমরা কিভাবে মাল্টা যাব সে সম্পর্কে। বাংলাদেশ থেকে মাল্টায় আপনি খুব সহজেই যেতে পারবেন। এখন প্রচুর পরিমাণ বাংলাদেশ মাল্টায় যাচ্ছে। আপনি নিজে নিজের সবকিছু করেও মাল্টা যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে কোন এজেন্সির মাধ্যমেও খুব সহজে মাল্টায় পৌছাতে পারেন।
জাপানে কাজের ভিসা | জাপান ভ্রমণ ভিসা | জাপান স্টুডেন্ট ভিসা
আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে। মাল্টা যাওয়ার জন্য এবং মাল্টা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে আলোচনা করা হয়েছে। সে গুলা মনোযোগ দিয়ে দেখে আশা করি আপনি সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
মাল্টায় কাজের চাহিদা কেমন
আপনারা অনেকেই মাল্টায় কাজ করার জন্য যেতে চান। আমরা ইতিমধ্যে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে মাল্টা এগিয়ে বাঙালিরা কি কি কাজ করে বেতন কত। সেখানে যেতে কত টাকা খরচ হয় ইত্যাদি সম্পর্কে। এখন আপনাদেরকে জানাবো মাল্টায় কাজের চাহিদা কেমন তার সম্পর্কে।
বর্তমানে মাল্টাতে কনস্ট্রাকশন কর্মী অথবা ড্রাইভিং ও ডেলিভারি বয় হিসাবে কাজ করলে কিন্তু মাসিক ভাবে ভালো ইনকাম করা সম্ভব। তাই বাংলাদেশ থেকে বা অন্যান্য দেশ থেকে যারা বর্তমানে মাল্টা যাচ্ছে তারা চাইলে এই পেশাগুলোতে কাজ করতে পারেন এই পেশাগুলোতে কাজের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মাল্টায় যে কেউই খুব সহজেই কাজ পেয়ে যাবে। আপনি মাল্টায় রাস্তা দিয়ে ঘুরতে লাগলে আশেপাশের দোকানগুলোতে দেখতে পাবেন কর্মী চাই এমন দেখা প্রায় জায়গায়। সেখানে ইংরেজিতে লেখা থাকবে আমি বাংলাতে আপনার সুবিধার জন্য বললাম। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন সেখানে কাজের চাহিদা কতটা বেশি। আপনি যদি একটু ইংলিশ জেনে থাকেন তাহলে আপনি সেখানে গিয়ে খুব সহজেই নিজে নিজেই কাজ খুঁজে করতে পারবেন কারো সাহায্য প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ। আশা করি আপনারা আমাদের এই কন্টেন্ট থেকে উপকৃত হয়েছেন।
মাল্টায় বাঙালিরা কি কি কাজ করেন
আপনারা অনেকেই অনেক দেশে কাজ করার জন্য যেতে চান। আপনারা যারা মাল্টাই কাজ করার জন্য যেতে চান তারা জানতে চান সেখানে গিয়ে কি কি কাজ পেতে পারেন তার সম্পর্কে। মাল্টায় কাজের চাহিদা অনেক সেখানে যে কেউ গিয়ে খুব সহজেই কাজ খুঁজে পাবে। এখানে গিয়ে যে সকল কাজ করবেন তা নিচে দেওয়া হল।
আপনারা মাল্টা গিয়ে ফুড ডেলিভারীর কাজ করতে পারেন। এটা একটি স্বাধীন পেশা আপনারা সকলেই জানেন।
সেখানে গিয়ে আপনি হোটেলে কাজ করতে পারেন।
মাল্টা গিয়ে আপনি ক্লিনারের কাজ করতে পারেন।
আপনি সেখানে গিয়ে সুপারশপে কাজ করতে পারেন।
আপনি মাল্টা গিয়ে খাদ্য প্যাকেজিং এর কাজ করতে পারেন।
আপনি মাল্টা গিয়ে কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে পারেন।
আরো অনেক রকম কাজ করতে পারবেন মাল্টা গিয়ে। বাঙালিরা এ সকল কাজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে থাকেন। ইতিমধ্যে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি মাল্টা যেতে কত টাকা খরচ হয় এবং মাল্টা গিয়ে বাঙালিরা কত টাকা বেতন পায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন মাল্টা গিয়ে বাঙালিরা কি কাজ করে সে সম্পর্কে।
মাল্টা যেতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন
আপনারা অনেকেই মাল্টা যেতে চান কাজ করার জন্য। কিন্তু আপনারা জানেন না মাল্টা যেতে হলে কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত। আজকে আমরা আপনাদের সঙ্গে মাল্টা যেতে হলে কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
সৌদি আরবে জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
আপনি যদি মাল্টা যেতে চান তার জন্য যে সকল ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হবে তা নিচে দেওয়া হল।
সর্বপ্রথম আপনার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। পাসপোর্ট এর মেয়াদ অবশ্যই 6 মাসের উপরে থাকতে হবে।
যে কাজের জন্য মাল্টা যেতে চান সে কাজে অভিজ্ঞ হতে হবে। সে কাজের ওপর আপনার সার্টিফিকেট থাকতে হবে। এটা আবশ্যক নয়।
এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ডকুমেন্ট থাকতে হবে। বৈধভাবে মাল্টা যাচ্ছেন কোন খারাপ কাজ করে যাচ্ছেন না এটার প্রমাণ পত্র।
ট্যাক্স সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে।
ইন্সুরেন্স থাকতে হবে এবং ইন্স্যুরেন্সের প্রমাণ দেখাতে হবে।
ছবির প্রয়োজন হবে।
উপরে উল্লেখিত এ সকল ডকুমেন্ট গুলো সাধারণত প্রয়োজন হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু ডকুমেন্ট যোগ করা লাগতে পারে সেটা আপনাকে তারা বলে দিবে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন মাল্টা যেতে কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে সে সম্পর্কে।
মাল্টায় মুদ্রার মান কত
আপনারা অনেকেই মাল্টায় কাজ করার জন্য যেতে চান। মাল্টায় 1 ইউরো সমান সমান বাংলাদেশি কত টাকা হতে পারে সে সম্পর্কে। আপনারা জানেন মাল্টায় কাজ করে 1000 ইউরো এবং তার বেশি পাওয়া যায়। আপনারাও বাংলা টাকায় অনেকেই হিসাব করতে পারেন না।
এখন থেকে আপনারা খুব সহজেই নিজে নিজেই মুদ্রার মান বের করতে পারবেন। এখন বর্তমানে মাল্টার 1 ইউরো সমান সমান বাংলাদেশ 91 টাকা। কিছু কিছু সময় মুদ্রার মান কম বেশি হতে পারে। যেমন, এখন মাল্টার এক ইউরো সমান সমান বাংলাদেশের 91 টাকা। অনেক সময় 88 টাকা 95 টাকা 85 টাকা হতে পারে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন মাল্টার টাকার মান সম্পর্কে।
মাল্টারা কোন ভাষায় কথা বলে
আপনারা শুনলে অবাক হবেন মালিকেরা বেশিরভাগ সময় ইংরেজি ভাষায় কথা বলে থাকে। কেননা, বাইরের দেশ থেকে যে কোনো মানুষই এসে যেন তাদের সঙ্গে খুব ভালোভাবেই মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে তার জন্য।
তাদের দেশে প্রায় সকলেই ইংরেজি ভাষায় কথা বলে যারা কাজে আসে বাইরে থেকে তাদের সুবিধার জন্য। তারা তাদের মাতৃভাষায় কথা বলে যখন তাদের মধ্যে কথা বলে তখন। মাল্টায় যে কেউ গিয়ে খুব সহজে চলাফেরা করতে পারবে যদি সে ন্যূনতম ইংরেজি জেনে থাকে। আশা করি আপনাদের ভাষা নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না মাল্টা এগিয়ে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।
আরো জানতে ভিজিট করুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন