বেলজিয়াম যেতে কত টাকা লাগে ২০২৩

    বেলজিয়াম যেতে কত টাকা লাগে


    বেলজিয়াম যেতে কত টাকা লাগে এ বিষয় নিয়ে অনেকেই জানার চেষ্টা করেন তবে আজকে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জানাবো যে বেলজিয়ামে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে অথবা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যদি আপনারা বেলজিয়ামে যেতে চান তাহলে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত করতে পারে সেইসাথে বেলজিয়ামে যাওয়ার উপায় সহ বিস্তারিতভাবে আজকে আমরা আলোচনা করব।


    বেলজিয়াম শহর এতটাই সুন্দর এবং সেখানে প্রতিনিয়ত টু ডিসটার্ব সেখানে ভ্রমণ করছে তাই সেখানে দৈনন্দিন জীবনে কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই মূলত কর্মী সংখ্যা সেখানে বাড়তেই আছে। তাই আপনি যদি সেখানে গিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির অধীনে অথবা রেস্টুরেন্ট হোটেল ব্যবসা সহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে গিয়ে কাজ করতে পারেন তাহলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার সুযোগ করে নিতে পারবেন।


    এক্ষেত্রে যারা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে বেলজিয়ামে যেতে চাচ্ছে তাদের খরচ কত টাকা পড়ে এবং আপনার কি কি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে নেওয়া জরুরী এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আজকে আমরা এই কন্টেন্টের মধ্যে তুলে ধরেছি তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক বেলজিয়ামে যেতে কত টাকা খরচ হয়। এবং কি কি কাগজপত্রসহ ভিসা খরচ বিস্তারিত জেনে নেই।


    বেলজিয়ামে যেতে কত টাকা লাগে 2023

    বেলজিয়ামে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি যাওয়ার কোন উপায় নাই কারণ বাংলাদেশে বেলজিয়ামের কোন দূতাবাস নেই। এজন্য ভারতের দিল্লি দূতাবাস থেকে আবেদন করে বেলজিয়ামে যেতে হবে এক্ষেত্রে বেলজিয়ামে যাওয়ার জন্য ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা লাগবে। তাছাড়া যারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে দিল্লির মাধ্যমে ভিসা নিতে পারবেন তাদের ক্ষেত্রেও খরচ কিন্তু একই রকম ভাবে পড়বে।


    এশিয়া মহাদেশ থেকে প্রায় অনেক শ্রমিক বেলজিয়ামে কাজের উদ্দেশ্যে যেয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সমস্ত ভিসা প্রসেস গুলো মূলত ইন্ডিয়া দূতাবাসের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে তবে আপনি যদি ইন্ডিয়াতে দূতাবাসে গিয়ে সরাসরি নিজে আবেদন করতে পারেন এক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই কম হবে। তবে আপনি গিয়ে সেখানে আবার কয়েকদিন থাকার পরেই আপনাকে ভিসা প্রসেস সম্পন্ন করতে হয় এক্ষেত্রে খরচ আর একটু বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


    তবে আপনার পরিচিত কোন এজেন্সি যদি বাংলাদেশ অবস্থান করে তাদের মাধ্যমে যদি যেতে চান তাহলে কিন্তু খরচ কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন পরিচিতির মাধ্যমে বেলজিয়ামে যাওয়ার জন্য প্রসেস সম্পর্কে জেনে নেওয়া এক্ষেত্রে আপনার পরবর্তীতে এই বিষয়ে অনেকটাই সহজ হবে।


     রোমানিয়া ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি কোথায় জেনে নিন


    তবে বাংলাদেশ থেকে বেলজিয়ামে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনাকে ১০ লাখ টাকার মত খরচ করতে হবে তবে যদি সরকারি কোনো নিবন্ধন অনুযায়ী আপনি যদি যেতে চান তাহলে অবশ্যই বিএমইটি অথবা বুয়েসেলের নির্দেশনা অনুযায়ী যাওয়ার চেষ্টা করুন এক্ষেত্রে আপনার একেবারে কম খরচে তাছাড়া বিস্তারিতভাবে আমরা আরো নিচে তুলে ধরেছি কিভাবে বাংলাদেশ থেকে যেতে পারবেন এ বিষয়গুলো নিয়ে।


    বেলজিয়াম ভিসার দাম কত ২০২৩

    বেলজিয়াম ভিসার দাম বর্তমানে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। বেলজিয়ামে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে হলে দাম পড়বে প্রায় ৫ থেকে ৮ লক্ষ টাকার মত এবং টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যাওয়ার জন্য দাম পড়বে ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজের উপর এবং থাকার মেয়াদের ওপর ভিসার দাম নির্ধারিত থাকে।


    তবে যদি আপনি দেশ থেকেই সরাসরি বেলজিয়ামের কোন কাজ নিয়ে সরাসরি যেতে পারেন তাহলে কিন্তু খুবই কম খরচের মধ্যেই যেতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন বেলজিয়ামের দূতাবাস বাংলাদেশ না থাকার কারণে কিন্তু বিভিন্ন দেশ হয়ে বেলজিয়ামে ঢোকা লাগে। তাই এক্ষেত্রে কিন্তু খরচ বিভিন্ন রকম হতে পারে আপনি যদি অন্যান্য দেশ থেকে যান তাহলে কিন্তু খরচ কম রাখতে পারে আবার অনেক দেশ আছে যদি আপনি সেখান থেকে যেতে চান তাহলে কিন্তু খরচ আরো বেশি লাগতে পারে।


    রোমানিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি?


    যেমন ইন্ডিয়া থেকে খরচের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে আপনি যদি দুবাই মালয়েশিয়া বা অন্যান্য রাষ্ট্র থেকে যেতে পারেন তাহলে কিন্তু কিছুটা কম খরচ হবে তবে বর্তমানে বাংলাদেশ থেকেই বেসরকারি এজেন্সি বলার মাধ্যমে এই পদ্ধতিতে সেখানে যাওয়া যাচ্ছে। এবং বাংলাদেশের মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।


    বেলজিয়াম স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে খরচ কত

    আপনি যদি বেলজিয়ামে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে সেখানে যেতে চান তাহলে খরচ পড়বে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা থেকে ৮ লক্ষ টাকার মত। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথম অবস্থায়ই বেলজিয়ামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কলার্শিপ পেতে হবে এবং সেই স্কলারশিপের মাধ্যমে আপনি এই খরচের মধ্যে যেতে পারবেন। তবে বছরের বিভিন্ন সময় বেলজিয়ামের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিন্তু সরকারিভাবে স্কলারশিপ প্রদান করা হয় এক্ষেত্রে খুবই কম খরচের মধ্যেই যেতে পারবেন।


    প্রথম অবস্থায় বেলজিয়ামের টপ রাঙ্কিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আপনাকে আবেদন করতে হবে আবেদন করার পরে আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো যখন তাদের কাছে দিবেন তখন তারা বিষয়গুলো যাচাই বাছাই করে যদি আপনি আবেদনের গ্রহণযোগ্য হন তাহলে আপনাকে মেইলের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।


    যদি বেসরকারিভাবে যেতে চান তাও পরেও কিন্তু আপনাকে এই পদ্ধতিতে যেতে হবে তবে বেসরকারিভাবে যাওয়ার জন্য কিন্তু আগাম ভাবে আপনাকে ইনস্টিটিউট ফি প্রদান করতে হবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার অগ্রিমভাবে যাওয়ার জন্য 10 থেকে 12 লক্ষ টাকার মতো খরচ হয়ে যেতে পারে।


    আপনি দেশের বাহির থেকে যেতে পারেন তাহলে কিন্তু অনেকটাই কম খরচ হবে এবং যাওয়া অনেক সহজ হবে। তাই আপনি যদি বেলজিয়ামে কাজের ভিসা অথবা স্টুডেন্ট তাহলে কিন্তু এই পদ্ধতিতে যেতে পারেন তাহলে খুবই কম খরচের মধ্যেই যেতে পারবেন তবে মনে রাখবেন বেলজিয়ামে কিন্তু এ বিষয়গুলো খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়ে থাকে।


    ইউরোপের কোন দেশে যেতে কত টাকা লাগে


    বেলজিয়াম যাওয়ার আবেদন ২০২৩

    বেলজিয়ামে যাওয়ার আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ইন্ডিয়ান দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং কাজের উপর দক্ষতার একটি প্রমাণ নিয়ে আপনাকে সরাসরি বেলজিয়াম দূতাবাসে গিয়ে আবেদন ফরম উত্তোলন করে সেটা ভালোমতো পূরণ করতে হবে। তারপরে সে আবেদন ফরমটি আপনি সেখানে জমা দেওয়ার ২৭ থেকে ৪০ দিনের মধ্যেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।


    আবেদন করার পরে আপনাকে এই সময়ের মধ্যেই তারা ইমেইলের মাধ্যমে অথবা ফোনের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিবে পরবর্তীতে আপনি যে কাজের উপর যেতে চাচ্ছেন সেই কাজের দক্ষতার প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো নিয়ে আপনাকে বেলজিয়ামের ভিসা প্রদান করা হবে এক্ষেত্রে ভিসা দেওয়ার পরেই ভিসা ফি প্রদান করতে হয়।


    বেলজিয়াম ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    বেলজিয়ামে ভিসা আবেদন করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র অগ্রিমভাবে আপনাকে তৈরি রাখতে হবে এক্ষেত্রে যখন আপনি বেলজিয়াম হিসাবে আবেদন করবেন তখন কিন্তু মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনে আরো কিছু কাগজপত্র লাগে সেগুলো নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

    • ছয় মাস মেয়াদী ভ্যালিড পাসপোর্ট
    • এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
    • ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
    • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
    • মেডিকেল রিপোর্টের কপি
    • নির্দিষ্ট কাজের উপর দক্ষতা
    • স্টুডেন্ট হলে ইনভাইটেশন লেটার
    • বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সনদ
    • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র
    • বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রশংসাপত্র
    • পূর্বে কোথাও কাজ করলে তার প্রমাণ


    বিদেশ যাওয়ার জন্য কোন ব্যাংক লোন দেয় দেখে নিন


    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যদি কোন ধরনের ভুল ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে তা আগে থেকে সংশোধন করে নিতে হবে। তা না হলে আপনি যদি একবার ভিসা বাতিল হয়ে যায় তাহলে পরবর্তীতে আরো বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই প্রথম অবস্থায় কোন ধরনের ভুল ত্রুটি ছাড়া সরাসরি ভালো মাধ্যমে আপনারা ভিসাটি প্রসেস করবেন এক্ষেত্রে পরবর্তীতে আমরা আরো আলোচনা করছি বিস্তারিত ভাবে।


    বেলজিয়াম টুরিস্ট ভিসা খরচ কত 2023

    বেলজিয়ামের টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যেতে হলে খরচ পড়বে তিন লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকার মতো। এক্ষেত্রে ৩০ দিন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত আপনি সেখানে থাকতে পারবেন। পরবর্তীতে 90 দিনের পরেও যদি সেখানে থাকা প্রয়োজন পড়ে তাহলে পুনরায় আবার আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে এবং সেখানকার দূতাবাসে গিয়ে তৎকালীনভাবে যোগাযোগ করতে হবে।


    এক্ষেত্রে যদি আপনি দিল্লি দূতাবাসের মাধ্যমে যান তাহলে কিন্তু সেখানেও আপনাকে দিল্লির দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ করার বা পরবর্তীতে আবার নতুনভাবে বেছে নেওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে তবে এক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় আবার ভিসা আবেদন করে নতুন ভাবে খরচ দিয়েই কিন্তু আপনাকে আবেদন করা লাগবে।


    বেলজিয়াম বিজনেস যাওয়ার উপায়

    আপনি যদি বেলজিয়ামে বিজনেস ভিসায় যেতে চান তাহলে খরচ পড়বে ৮ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকার মত। এটা মূলত বাংলাদেশ থেকে হবে না এক্ষেত্রে আপনাকে ইন্ডিয়া বা দুবাই মালেশিয়া বা অন্যান্য রাষ্ট্র থেকে যেতে হবে তাহলে আপনি বেলজিয়াম বিজনেস ভিসায় যেতে পারবেন তবে মনে রাখবেন বেলজিয়াম বিজনেস ভিসায় যে কিন্তু সরাসরি আপনাকে বিজনেস পলিসি অনুযায়ী বিজনেস পরিচালনা করতে হবে।


    তা না হলে আপনি যদি বিজনেস ভিসা নিয়ে গিয়ে সেখানে অন্যান্য কাজে নিয়োজিত থাকেন তাহলে কিন্তু আপনার ভিসা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই অবশ্যই যে কোন একটি বিজনেসের মধ্যে আপনাকে থাকতে হবে। এবং বিজনেস ভিসা তৈরি করার ক্ষেত্রে কিন্তু অনেক পলিসি বা রিকোয়ারমেন্ট আছে সেগুলো মেনে আপনাকে সেই ভিসা জন্য আবেদন করতে হবে।


    বেলজিয়াম ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে খরচ কত

    বেলজিয়াম ওয়ার্ক পারমিট ভিসা যেতে খরচ পড়বে প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা। এক্ষেত্রে আপনাকে দিল্লি দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করতে হবে এবং নির্ধারিত যেই কাজ নিয়ে আপনারা যেতে চাচ্ছেন সেই কাজের উপর নির্ধারিত ভাবে ভিসার দাম উল্লেখ আছে সেই ভাবে ভিসার দাম পরিশোধ করতে হয়।


    বাংলাদেশ কোরিয়া ট্রেনিং সেন্টার | কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার


    প্রথম অবস্থায় আপনার কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে পরবর্তীতে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আপনার ভিসা দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আপনার ভিসার দাম নির্ধারিত হবে আপনি যদি অগ্রিম ভাবে আবেদন করেন তাহলে সেই ভাবে আপনার ভিসা প্রসেসিং এর সম্পাদন করা হবে। তাই প্রথম অবস্থায় আপনাকে দিল্লি দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এক্ষেত্রে বেসরকারি অনেক এজেন্সি রয়েছে তারা কিন্তু এই কাজটি করে থাকে।

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post a Comment (0)

    নবীনতর পূর্বতন